إسهامات الزوار

তাওহিদ ও তার প্রকারভেদ ترجمة مقالة التوحيد وأنواعه إلى البنغالية

তাওহিদ ও তার প্রকারভেদ

শেখ বিন উসাইমিন রহ.

শেখ বিন উসাইমিন রহ. (আল্লাহর তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন) কে একদা তাওহিদ ও তার প্রকারভেদ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন,

توحيد শব্দটি আরবী وحد يوحد শব্দ থেকে নির্গত, যার অর্থ হল- কোন বস্তুকে একক সাব্যস্ত করা। আর একক সাব্যস্ত করার বিষয়টি একমাত্র নফী (প্রত্যাখ্যান) ও ইছবাত (সাব্যস্তকরণ) এর মাধ্যমেই পূর্ণতা লাভ করে। অর্থাৎ একক সত্তা ব্যতীত সকল সৃষ্ট থেকে সৃষ্টির প্রভূত্ব প্রত্যাখ্যান করে একমাত্র তাঁর জন্যই প্রভূত্ব সাব্যস্ত করা। যেমন আমরা বলে থাকি, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” সাক্ষ্য না দেয়া পর্যন্ত তাওহিদ পূর্ণ হবে না। একথা বলে আমরা আল্লাহ ছাড়া সকল কিছু থেকে প্রভূত্ব প্রত্যাখ্যান করে এক আল্লাহর জন্য তা সাব্যস্ত করলাম। ব্যাপক প্রত্যাখ্যান সবকিছুর প্রত্যাখ্যান বুঝায় এবং ব্যাপক সাব্যস্তকরণ উল্লেখিত বিধানে অন্যের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করে না। ধরুন আপনি বললেন, “অমুক দাড়িয়ে আছে।” এখানে আপনি তার জন্য দাড়ানো সাব্যস্ত করলেন ঠিক, কিন্তু দাড়ানোর ক্ষেত্রে তাকে একক সাব্যস্ত করেননি। হতে পারে আরো অনেকে দাড়ানো। পক্ষান্তরে যদি বলেন, “কেহ দাড়ানো নেই” তাহলে আপনি ব্যাপকভাবে দাড়ানো প্রত্যাখ্যান করলেন। যদি বলেন, “যাইদ ছাড়া কেহই দাড়ানো নেই” তাহলে এখানে আপনি কেবল যাইদের জন্যই দাড়ানো সাব্যস্ত করলেন এবং যাইদ ছাড়া সকলের থেকে দাড়ানো প্রত্যাখ্যান করলেন। এটিই হল তাওহিদের প্রকৃত বিশ্লেষণ। অর্থাৎ ব্যাপক প্রত্যাখ্যান ও সাব্যস্তকরণ ছাড়া তাওহিদ পূর্ণ তাওহিদ হবে না।

আল্লাহ পাকের জন্য তাওহিদ (একত্ববাদ) এর সকল প্রকার একটি মাত্র সংজ্ঞায় চলে আসে এভাবে- “আল্লাহর সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীতে আল্লাহকে একক সাব্যস্ত করা।

জ্ঞানীগণ তাওহিদ (একত্ববাদ) এর তিনটি প্রকার নির্ণয় করেছেন।

১। প্রভূত্বের ক্ষেত্রে একত্ববাদ

২। উপাসনার ক্ষেত্রে একত্ববাদ

৩। নাম ও গুণাবলীতে একত্ববাদ

কুরআনুল কারীমের আয়াত ও নবী করীম সা. এর হাদিসসমূহে সুগভীর অধ্যয়ন ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ বুঝার পর তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, তাওহিদ এই তিন প্রকারের বাহিরে হতে পারে না।

* প্রথম, প্রভূত্বের ক্ষেত্রে একত্ববাদ। তা হল, সৃষ্টি, প্রতিপালন এবং তত্ত্বাবধানের ক্ষেত্রে আল্লাহকেই একক সাব্যস্ত করা।

- সৃষ্টির ক্ষেত্রে একত্ববাদ হল যে, আল্লাহই হচ্ছেন স্রষ্টা। তিনি ব্যতীত দ্বিতীয় কোন স্রষ্টা নেই। আল্লাহ বলেন,

يَا هَلْ مِنْ خَالِقٍ غَيْرُ اللَّهِ يَرْزُقُكُم مِّنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ ﴿فاطر: ٣﴾

আল্লাহ ব্যতীত এমন কোন স্রষ্টা আছে কি, যে তোমাদেরকে আসমান ও যমীন থেকে রিযিক দান করে? তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। (সূরা ফাতির-৩)

কাফেরগণ কর্তৃক প্রণীত প্রভূদের প্রভূত্ব নাকচ করতে গিয়ে আল্লাহ বলেন,

أَفَمَن يَخْلُقُ كَمَن لَّا يَخْلُقُ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿النحل: ١٧﴾

যিনি সৃষ্টি করেন, তিনি কি সে লোকের সমতুল্য যে সৃষ্টি করতে পারে না? তোমরা কি চিন্তা করবে না? (সূরা নাহল-১৭)

সুতরাং আল্লাহই একমাত্র স্রষ্টা। সকলকিছু তিনিই সুনিপুনভাবে সৃষ্টি করেছেন। তাঁর নিজস্ব কর্মও তাঁর সৃষ্টি, সৃষ্টির কৃতকর্মও তাঁরই সৃষ্টি। এজন্যই তকদীরে পূর্ণ বিশ্বাসের অর্থই হল, বান্দার কৃতকর্মও আল্লাহর সৃষ্টি একথা বিশ্বাস করা। যেমনটি আল্লাহ বলেন,

وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ ﴿الصافات: ٩٦﴾

আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা কর, সবকিছুকে সৃষ্টি করেছেন। (সূরা সাফফাত-৯৬)

কারণ, বান্দার সকল কাজ বান্দার বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভূক্ত। আর বান্দা আল্লাহর সৃষ্টি। আর কোন বস্তুর সৃষ্টিকর্তা ঐ বস্তুর বৈশিষ্ট্যাবলীরও সৃষ্টিকর্তা। দ্বিতীয় কারণ, বান্দার সকল কাজ দৃঢ় ইচ্ছা এবং পূর্ণ ক্ষমতার মাধ্যমে অর্জিত হয়। আর এ দু‘টোই আল্লাহর সৃষ্টি।

যদি প্রশ্ন করা হয়, আল্লাহ ব্যতীত অন্যের মাধ্যমে সৃষ্ট কাজকে কীভাবে আল্লাহর একক সৃষ্ট সাব্যস্ত করা হবে? আর নিম্নোক্ত আয়াতের ব্যাখ্যাই বা কী? -

فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ ﴿المؤمنون: ١٤﴾

সৃষ্টিকারীদের মধ্যে নিপুণতম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত কল্যাণময়। (সূরা মুমিনুন-১৪)

হাদীসেও উল্লেখ রয়েছে, “বিচারদিবেস বলা হবে জীবিত কর যা তোমরা সৃষ্টি করেছিলে!”

এর উত্তর হল, আল্লাহর ন্যায় অন্য কারো সৃষ্টি ক্ষমতা নেই। কারণ, অস্তিত্বহীন থেকে নতুনরূপে সৃষ্টি করার ক্ষমতা কারো নেই। ঠিক তেমনি মৃতকে জীবিত করার সামর্থ্য কারো নেই। আর আল্লাহ ব্যতীত সকলেই যা সৃষ্টি করে, তা কেবল রূপবিবর্তন বা এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থার সৃষ্টি। আর মূল অবস্থার স্রষ্টা হচ্ছেন আল্লাহ। যেমন, কেহ একটি ছবি আঁকল, তো তার কলম দ্বারা সে মাটিও আকঁতে পারে এবং পাখিও আঁকতে পারে। সাদা পেপারকে কালো বানিয়ে দিতে পারে। সুতরাং এখানে মূল উপাদান অর্থাৎ কালি সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ। সাদা পেপারকে সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ। এটিই বান্দা এবং আল্লাহর কৃতকর্ম সৃষ্টির ক্ষেত্রে মূল পার্থক্য। উপরোক্ত বিশ্লেষণ অনুযায়ী স্পষ্ট হয়ে গেল যে, আল্লাহ সকল সৃষ্টির একক স্রষ্টা।

- দ্বিতীয়ত, আল্লাহর রাজত্বে একত্ববাদ। কারণ, আল্লাহই তত্ত্বাবধায়ক। যেমনটি আল্লাহ বলেছেন,

تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿الملك: ١﴾

পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। (সূরা মুলক-১)

অন্যত্র আল্লাহ বলেন,

قُلْ مَن بِيَدِهِ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ يُجِيرُ وَلَا يُجَارُ عَلَيْهِ ﴿المؤمنون: ٨٨﴾

বলুন, কার হাতে সব বস্তুর কর্তৃত্ব, যিনি রক্ষা করেন এবং যার কবল থেকে কেউ রক্ষা করতে পারে না? (সূরা মুমিনুন-৮৮)

সুতরাং প্রকৃত মহাতত্ত্বাবধায়ক হচ্ছেন একমাত্র আল্লাহ। পক্ষান্তরে আল্লাহ ব্যতীত অন্যের দিকে মালিকানা সম্বন্ধ করা হবে রূপক অর্থে। যেমনটি আল্লাহ নিজেই বলেছেন,

أَوْ مَا مَلَكْتُم مَّفَاتِحَهُ ﴿النور: ٦١﴾

যার চাবি আছে তোমাদের মালিকানায় (সূরা নূর-৬১)

অন্যত্র বলেন,

إِلَّا عَلَىٰ أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ ﴿المعارج: ٣٠﴾

কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভূক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না (এছাড়া বাকী সকল ক্ষেত্রে যৌনাঙ্গ ব্যবহারে সে তিরস্কৃত ও সাজাপ্রাপ্ত হবে)। (সূরা মাআরিজ-৩০)

এছাড়াও বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ ব্যতীত অন্যের দিকে রাজত্ব ও মালিকানার সম্বন্ধ করা হয়েছে ঠিক, কিন্তু এগুলো আল্লাহর মালিকানার মত নয়; বরং অসম্পূর্ণ মালিকানা বা অস্থায়ী রাজত্ব। যেমন, যাইদের মালিকানাধীন বাড়ী উমরের হবে না। উমরের মালিকানাধীন ঘর যাইদের হবে না। অসম্পূর্ণ মালিক হওয়ায় আল্লাহর ধার্যকৃত পন্থা ছাড়া অন্য পন্থায় সে তাতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এ কারণেই নবী করীম সা. সম্পদ নষ্ট করা থেকে নিষেধ করেছেন। আর আল্লাহ বলেন,

وَلَا تُؤْتُوا السُّفَهَاءَ أَمْوَالَكُمُ الَّتِي جَعَلَ اللَّهُ لَكُمْ قِيَامًا ﴿النساء: ٥﴾

আর যে সম্পদকে আল্লাহ তোমাদের জীবন-যাত্রার অবলম্বন করেছেন, তা অর্বাচীনদের হাতে তুলে দিও না। (সূরা নিসা-৫)

বুঝা গেল, মানুষের আয়ত্ব অসম্পূর্ণ এবং অস্থায়ী। পক্ষান্তরে আল্লাহর রাজত্ব স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং চিরস্থায়ী। যেভাবে আল্লাহ ইচ্ছা করেন, সৃষ্টিতে হস্তক্ষেপ করেন। তাঁর রাজত্বে কারো বিন্দুমাত্র প্রশ্ন তুলার অধিকার নেই।

- তৃতীয়ত, ব্যবস্থাপনা। আল্লাহই প্রকৃত ব্যবস্থাপক। সৃষ্টির সকল ব্যবস্থাপনা তিনিই করেন। আসমান যমীনের সকল ব্যবস্থাপনা তাঁরই ইচ্ছানুযায়ী সম্পন্ন হয়। যেমনটি আল্লাহ নিজেই বলেছেন,

أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ ﴿الأعراف: ٥٤﴾

শুনে রেখ, তাঁরই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশ দান করা। আল্লাহ, বরকতময় যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক। (সূরা আরাফ-৫৪)

আল্লাহর ব্যবস্থাপনা ব্যাপক এবং অসীম। আর মানুষের ব্যবস্থাপনা নির্দিষ্ট এবং সীমিত।

উপরোক্ত আলোচনায় স্পষ্ট হয়ে গেল যে, প্রভূত্বের একত্ববাদ হল সৃষ্টি, রাজত্ব এবং ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আল্লাহকে একক সাব্যস্ত করা।

* দ্বিতীয়, উপাসনার ক্ষেত্রে একত্ববাদ। এটা হচ্ছে এবাদত ও উপাসনায় আল্লাহকেই একমাত্র উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করা। এবাদতে আল্লাহর সাথে কাউকে অংশীদার না করা। এ প্রকার তাওহিদের ক্ষেত্রে মক্কার মুশরিকগণ পথভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছিল। যাদের বিরুদ্ধে নবী করীম সা. একাধিক যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। যাদের ঘরবাড়ী নবীজী জব্দ করেছিলেন, মহিলাদের বন্দি করেছিলেন। সকল নবীকে এ প্রকার তাওহিদের মাধ্যমেই প্রেরণ করা হয়েছে। সকল আসমানী কিতাবেই যার দীক্ষা বিদ্যমান। এ প্রকার তাওহিদ বাস্তবায়নকল্পেই নবীগণ আপন ক্বওমে বেশী মেহনত করেছিলেন; কোন মানুষ যেন আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণ না করে। না কোন ফেরেশতাকে, না নবীকে, না নেককার ব্যক্তিকে আর না কোন সৃষ্টিকে। কারণ, ইবাদত এক আল্লাহ ছাড়া কারো জন্যই সঠিক নয়। এই প্রকার তাওহিদে যে ভুল করে বসল, অপর ‍দুই তাওহিদে বিশ্বাসী হওয়া সত্ত্বেও সে কাফের এবং মুশরেকে রূপান্তরিত হয়ে গেল। স্মরণ রাখবেন, কেউ যদি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে যে, আল্লাহই একমাত্র স্রষ্টা, তিনিই প্রতিপালক, তিনিই সকলকিছুর তত্ত্বাবধায়ক; কিন্তু ‍আল্লাহর সাথে আরো অনেক কিছুর উপাসনা করে, তবে তার অপর দুই তাওহিদের স্বীকৃতিও ব্যর্থ হয়ে যাবে। কোন লোক প্রভূত্বের তাওহিদ এবং আল্লাহর নাম ও গুণাবলীতে তাওহিদে পূর্ণ বিশ্বাস করল, কিন্তু সে কবরপূজা করে, কোন মানুষকে সে সেজদা করে, তার জন্য মানত নির্ধারণ করে। তবে সে মুহূর্তেই কাফের এবং মুশরেক হয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন,

إِنَّهُ مَن يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَاهُ النَّارُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ ﴿المائدة: ٧٢﴾

নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে, আল্লাহ তার জন্যে জান্নাত হারাম করে দেন। এবং তার বাসস্থান হয় জাহান্নাম। অত্যাচারীদের কোন সাহায্যকারী নেই। (সূরা মায়িদা-৭২)

প্রত্যেক কুরআন পাঠক ভালো করেই অবগত আছেন যে, যে সকল মুশরেকদের বিরুদ্ধে নবী করীম সা. সশস্ত্র সংগ্রাম করেছেন, তারা স্বীকার করত যে, আল্লাহই প্রকৃত স্রষ্টা, তিনিই পালনকর্তা। এ ব্যাপারে তারা বিন্দুমাত্র সন্দিহান ছিল না। তবে তারা উপাসনার ক্ষেত্রে আল্লাহর সাথে অন্যকে অংশীদার সাব্যস্ত করার দরুন মুশরেক হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা মুসলমানদের উপর ফরয করা হয়েছিল।

* তৃতীয়, আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর ক্ষেত্রে একত্ববাদ। অর্থাৎ যে সকল নাম ও গুণ আল্লাহ নিজের জন্য স্থির করেছেন অথবা নবী করীম সা. নিজের মুখে আল্লাহর যে সকল নাম ও গুণ বলেছেন, সবগুলোর ক্ষেত্রে আল্লাহকে একক সাব্যস্ত করা। কোনরকম বিকৃতি, উহ্যকরণ, সামঞ্জস্যবিধান এবং আকৃতিপ্রদান ছাড়াই। রূপক অর্থে নয়; বরং প্রকৃতই আল্লাহর জন্য আল্লাহর নাম ও গুণসমূহ যেগুলো আল্লাহ নিজেই নিজের জন্য সাব্যস্ত করেছেন, পূর্ণমাত্রায় বিশ্বাস স্থাপন করা।

الايميل:

Twitter

Facebook

Youtube